Published : 09 Jul 2026, 07:11 AM
হলিউড অভিনেত্রী সারা সাহি সম্প্রতি এক অন্তরঙ্গ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘দ্য সোপরানোস’-এ প্রয়াত অভিনেতা জেমস গান্ডোলফিনির সঙ্গে তাঁর কাটানো দৃশ্যটি তাঁর অভিনয় জীবনের এক অসাধারণ স্মৃতি। এমনকি তিনি গান্ডোলফিনিকে নিজের কর্মজীবনের 'সেরা চুম্বনরত সঙ্গীদের মধ্যে একজন' বলেও অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি পডকাস্ট ‘দ্য বসটিকস’-এ অতিথি হিসেবে শাহি ২০০৭ সালে প্রচারিত ‘দ্য সোপরানোস’-এর ষষ্ঠ মৌসুমের শুটিং অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। ওই পর্বে তিনি সোনিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যিনি টনি সোপ্রানোর (জেমস গান্ডোলফিনি) প্রেমিকা হিসেবে আবির্ভূত হন। সারা জানান, গান্ডোলফিনির সঙ্গে তাঁর একটি পূর্ণাঙ্গ ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের অভিজ্ঞতা ছিল। শুটিং শুরুর আগে তাঁর মনে কিছুটা সংশয় ছিল। তিনি বলেছিলেন, 'সত্তর বছর বয়সী, স্থূলকায়, টাক পড়া এক ব্যক্তির প্রতি আমি কীভাবে আকর্ষণ অনুভব করব? এটা কি সম্ভব?' কিন্তু ক্যামেরা চালু হওয়ার পর তাঁর সমস্ত দ্বিধা দূর হয়ে যায়।
সারার মতে, 'তিনি সত্যিই অসাধারণ ছিলেন। আমার ক্যারিয়ারের সেরা চুম্বন মুহূর্তটি ছিল ঠিক সেটাই।' চরিত্রে প্রবেশ করার আগে তিনি জানান, গান্ডোলফিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ 'মেথড অ্যাক্টর'। দৃশ্যের জন্য তারা মাশরুম খাওয়ার পর নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অভিনয় করেন। এই অনুভূতি বাস্তবসম্মত করতে তিনি বিশেষ ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন। শুটিংয়ের জন্য শুকনা মাশরুমের মতো কিছু রাখা হয়েছিল। গান্ডোলফিনি চেয়েছিলেন, সেগুলোর ওপর প্রচুর মরিচ বা ঝাল মসলা দেওয়া হোক, যাতে মুখে নেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অভিনয় আরও বাস্তব মনে হয়। আরও পড়ুন: 'আমার প্রথম চুম্বনের মুহূর্তটি মোটেও রোমান্টিক ছিল না' ০৩ জুলাই ২০২৬।
অভিনেত্রী আরও জানান, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের সময় তারা এতটাই চরিত্রে মগ্ন ছিলেন যে পরিচালক 'কাট' বলার পরেও চুম্বন থামাতে পারেননি। সারা বলেন, 'একটি দৃশ্যে আমি তাঁর কোলে বসে মাশরুম খাচ্ছি, তারপর চুম্বন করছি। পরিচালক যখন কাট বলেন, আমরা তখনও একে অপরকে চুম্বন করতে থাকি। এমনটা তিন-চারবার ঘটেছে, প্রতিবারই 'কাট' বলা হয়েছে, কিন্তু আমরা তখনও একে অপরকে চুম্বন করছিলাম।' জেমস গান্ডোলফিনি ২০১৩ সালে ৫১ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। টনি সোপ্রানো চরিত্রে তাঁর অভিনয় টেলিভিশনের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অভিনয় হিসেবে গণ্য হয়।।
ডাইনোসরের জগতে এক পরিবারের দুঃসাহসিক যাত্রা: বেঁচে থাকার তীব্র সংগ্রাম